Utsaho Answers এ আপনাকে স্বাগতম। সর্বাধিক উত্তরদাতা ২০ জন হবেন Utsaho গুরু। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
0 like 0 dislike
10 views
in প্রশাসনিক কাঠামো by (66 points)

1 Answer

0 like 0 dislike
by (4 points)

বাংলাদেশে এনজিও এর কার্যক্রম অথবা কোন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম পরিচালনা করার উদ্দেশ্যে দেশি কিংবা বিদেশি তহবিল পরিচালনা করার জন্য উক্ত সংস্থাকে প্রথমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট নিবন্ধিত হতে হবে এবং সরকারের নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে।কৃষি, ত্রাণ, মিশনারি, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক, বৃত্তিমূলক, সামাজিক, কল্যাণ ও উন্নয়নমূলক সেবা প্রদানের জন্য যেকোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার নিজের ইচ্ছামত সংস্থা (আংশিক বা সম্পূর্ণ বাহ্যিক সহায়তার মাধ্যমে) প্রতিষ্টা করতে পারবে।তবে অবশ্যই সেটা সরকার অনুমোদিত হতে হবে।

একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা (আইএনজিও) বা স্থানীয় ভিত্তিক বেসরকারী সংস্থা (এনজিও) নিবন্ধিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট একটি আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে। এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (এনজিওএবি) “যা বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে” এবং গৃহায়ন মন্ত্রণালয় হচ্ছে এই বিষয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মূলত এদের কাছেই আবেদন দাখিল করতে হয়।

প্রথমত, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (এনজিওএবি) এর নিকট রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তারপর নির্ধারিত ফর্মে এনজিওএবি এর প্রয়োজনীয় ফি এবং আনুসাংগিক সকল প্রকার নথিপত্র, যেমন: কার্যকলাপ প্রতিবেদন, অভিপ্রায় পত্র, সংবিধান, রেজিস্ট্রেশন ফি ইত্যাদি এবং ট্রেজারি চালানের অনুলিপি বা কপি জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে।

এনজিওএবি তে আবেদন জমা দেওয়ার পর এটি পরিক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য সমাজ-কল্যান মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো হবে ।নথিপত্র গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ঠ কর্তিপক্ষ পুলিশ ও বিশেষ গোয়েন্দা বাহিনীর ধারা অনুযায়ি আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য তদন্ত করে একটি তদন্ত রির্পোট পাওয়ার পর তা এনজিওএবি কে দেওয়া হলে তারা পর্যালোচনার ধারা ডকুমেন্ট চুড়ান্ত করে সামনে আগাবেন।

আবেদন অনুমোদনে যে বিষয় গুলো মন্ত্রণালয় বিবেচনা করবেন তা হলোঃ-

  • নিবন্ধীকরণের জন্য এনজিও টি কোন প্রকার রাষ্ট্র-বিরোধী কাজ কিংবা সমাজ বিরোধী কাজ কিংবা কোন অপরাধ মূলক কাজের সাথে জরিত কি না।
  • আবেদনকারী সংস্থার সদস্যের মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক কেমন,তাদের সামাজিক মর্যাদা,সামাজিক কল্যান মূলক কর্মকান্ড,পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা, তাদের নিজস্ব অফিস আছে কিনা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করবে।

অতপর, কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিবে আবেদনটি অনুমোদন দিবে কি না।যদি আবেদনটি অনুমোদিত হয় তাহলে উক্ত এনজিও টি বাংলাদেশে কাজ করার অনুমতি পাবে।অন্যথায় তা বাতিল বলে গন্য হবে। উক্ত কার্যক্রম সম্পূর্ণ করবে ৯০ কার্যদিবসে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে এটি ৬ মাসও লাগতে পারে।বাংলাদেশে এনজিও এর কার্যক্রম অথবা কোন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম পরিচালনা করার উদ্দেশ্যে দেশি কিংবা বিদেশি তহবিল পরিচালনা করার জন্য উক্ত সংস্থাকে প্রথমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট নিবন্ধিত হতে হবে এবং সরকারের নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে।কৃষি, ত্রাণ, মিশনারি, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক, বৃত্তিমূলক, সামাজিক, কল্যাণ ও উন্নয়নমূলক সেবা প্রদানের জন্য যেকোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার নিজের ইচ্ছামত সংস্থা (আংশিক বা সম্পূর্ণ বাহ্যিক সহায়তার মাধ্যমে) প্রতিষ্টা করতে পারবে।তবে অবশ্যই সেটা সরকার অনুমোদিত হতে হবে।

একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারী সংস্থা (আইএনজিও) বা স্থানীয় ভিত্তিক বেসরকারী সংস্থা (এনজিও) নিবন্ধিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট একটি আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে। এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (এনজিওএবি) “যা বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে” এবং গৃহায়ন মন্ত্রণালয় হচ্ছে এই বিষয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মূলত এদের কাছেই আবেদন দাখিল করতে হয়।

প্রথমত, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো (এনজিওএবি) এর নিকট রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তারপর নির্ধারিত ফর্মে এনজিওএবি এর প্রয়োজনীয় ফি এবং আনুসাংগিক সকল প্রকার নথিপত্র, যেমন: কার্যকলাপ প্রতিবেদন, অভিপ্রায় পত্র, সংবিধান, রেজিস্ট্রেশন ফি ইত্যাদি এবং ট্রেজারি চালানের অনুলিপি বা কপি জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে।

এনজিওএবি তে আবেদন জমা দেওয়ার পর এটি পরিক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য সমাজ-কল্যান মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো হবে ।নথিপত্র গ্রহণের পর সংশ্লিষ্ঠ কর্তিপক্ষ পুলিশ ও বিশেষ গোয়েন্দা বাহিনীর ধারা অনুযায়ি আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য তদন্ত করে একটি তদন্ত রির্পোট পাওয়ার পর তা এনজিওএবি কে দেওয়া হলে তারা পর্যালোচনার ধারা ডকুমেন্ট চুড়ান্ত করে সামনে আগাবেন।

আবেদন অনুমোদনে যে বিষয় গুলো মন্ত্রণালয় বিবেচনা করবেন তা হলোঃ-

  • নিবন্ধীকরণের জন্য এনজিও টি কোন প্রকার রাষ্ট্র-বিরোধী কাজ কিংবা সমাজ বিরোধী কাজ কিংবা কোন অপরাধ মূলক কাজের সাথে জরিত কি না।
  • আবেদনকারী সংস্থার সদস্যের মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক কেমন,তাদের সামাজিক মর্যাদা,সামাজিক কল্যান মূলক কর্মকান্ড,পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা, তাদের নিজস্ব অফিস আছে কিনা ইত্যাদি বিষয় বিবেচনা করবে।

অতপর, কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিবে আবেদনটি অনুমোদন দিবে কি না।যদি আবেদনটি অনুমোদিত হয় তাহলে উক্ত এনজিও টি বাংলাদেশে কাজ করার অনুমতি পাবে।অন্যথায় তা বাতিল বলে গন্য হবে। উক্ত কার্যক্রম সম্পূর্ণ করবে ৯০ কার্যদিবসে। তবে ক্ষেত্রবিশেষে এটি ৬ মাসও লাগতে পারে।

62 questions

39 answers

1 comment

5.6k users

Utsaho Answers বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম। এখানে আপনি আপনার প্রশ্ন করার পাশাপাশি অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করে অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য সবথেকে বড় এবং উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে অবদান রাখতে পারেন।
...